কাঁচা মরিচের কেজি ২৮০ টাকা, সাধারণ ক্রেতাদের হিমশিম

টাঙ্গাইলে ঈদকে কেন্দ্র করে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি দামে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে করে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, আমদানি কমে যাওয়ায় কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরের পার্ক বাজার, কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। শহরের ছয়আনী বাজার ও বটতলা কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, টাঙ্গাইলে বগুড়া, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাঁচা মরিচ আসে। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতো। দুই সপ্তাহ আগে ছিলো প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ায় আমদানি অনেকটা কমে গেছে। এছাড়াও ঈদকে কেন্দ্র করে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোববার (২৫ জুন) বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খরিপ-১ টাঙ্গাইল জেলায় ৫১০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষাবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮২ টন। পার্ক বাজার এলাকায় কথা হয় শহরের বেড়াডোমা এলাকার আরিফুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, ১৫ দিন আগে এক কেজি মরিচ কিনেছিলাম ৬০ টাকা দিয়ে। আজকে এক পোয়ার দাম ৭০ টাকা। আমাদের দেশে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে কারো কাছে কৈফিয়ত দিতে হয় না। অপর ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, আগে বিক্রেতারা প্রতি কেজি মরিচের দাম চাইতো। আজকে বাজারে এসে মরিচের দাম জিজ্ঞেস করতে প্রতি পোয়ার (২৫০ গ্রাম) দাম বলছে। বাজারের সব কিছুর দামই বৃদ্ধি পাচ্ছে। পার্ক বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী উত্তম, কবির মিয়া ও আনিছুর রহমান বলেন, আগে আমরা দেড় থেকে তিন মণ পর্যন্ত কাঁচা মরিচ দোকানে রাখতাম। আমদানি কম ও দাম বেড়ে যাওয়ায় ২৫ থেকে ৩০ কেজি মরিচ দোকানে রেখেছি। কয়েক দিন আগেও খুচরা ক্রেতার কাছে আধা কেজি থেকে দুই কেজি পর্যন্ত কাঁচা মরিচ বিক্রি করতে পারতাম। বর্তমান সময়ে এক পোয়া থেকে আধা কেজি পর্যন্ত বিক্রি করতে পারছি।