খুচরা বাজারে দাম বাড়ল মসুর ডালের

প্রতিনিয়তই নিত্যপণ্যের খুচরা বাজারে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়েই চলছে। মাছ, মাংস, সবজিসহ ডিম ও পেঁয়াজের দাম বাড়ার পর এবার সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা পর্যায়ে সব ধরনের মসুর ডালের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। ফলে সংসার চালাতে বাড়তি চাপের মুখে পরতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মগবাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, মালিবাগ, রামপুরা, মহানগর আবাসিক এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে চিকন দানা, মোটা ও মাঝারি এই তিন রকমের মসুর ডালের দাম খুচরায় কেজিপ্রতি বেড়েছে পাঁচ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজারদরের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোটা ও মাঝারি দানার মসুর ডালের দাম গত এক মাসে তিন ও চার শতাংশ বেড়েছে।

সাত দিন আগে মোটা মসুর ডাল কেজিপ্রতি ৯০ টাকায় বিক্রি হয়, যা এখন ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি দানার মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১১৫ থেকে ৫ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা, ভালো মানের মসুর ডাল ১৩৫ থেকে ৫ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে প্যাকেটজাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মসুর ডালের কেজিপ্রতি ১৪৫ থেকে ১৭০ টাকা, মানভেদে মুগডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, ‘শৌখিন ডাল’মাষকলাই ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, ছোলার ডাল মানভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মহানগর প্রজেক্ট এলাকার মুদি দোকানি জাহেদ ঢাকাটাইমসকে বলেন, বাজারে ডিম, পেঁয়াজসহ প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে এই সপ্তাহে তিন জাতের মসুর ডালের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, মসুর ডাল ঠিকঠাক সরবরাহও হচ্ছে। তারপরও ডালের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাজারের পরিস্থিতি বুঝা মুশকিল।

ক্রেতা রিমন ঢাকা টাইমসকে বলেন, বাজারে হঠাৎ করেই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। পণ্যের দাম না বাড়ালে ব্যবসায়ীদের যেন ঘুম হয় না। এ রকম মানুষ আর কতো চলবে।

বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতি টন ডালের দাম ৯০০ ডলার ছিল। এখন এক হাজার ডলারেরও বেশি। তাতে আমদানি খরচ বেড়েছে। আর আমদানি ঋণপত্র খোলা নিয়েও জটিলতা এখনো কমেনি।