আমের সঙ্গে যা খেলে বিপদ

আমের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক প্রায় সকলেরই। আম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। আমকে ফলের রাজা বলা হয় কারণ এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বাজারে এখন নানা আমের সমাহার । হিমসাগর, আম্রপালি, ল্যাংড়া, ফজলি, খিরসাপাত, হাড়িভাঙা, যে ধরনের আমই হোক না কেন, সামনে থাকলে লোভ সামলানো বড়ই কঠিন। আম যে কেবলমাত্র স্বাদে-গন্ধে ভরপুর, তা কিন্তু নয়। এই ফল নানা পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ভিটামিন এ, সি, কে, ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলেট ও বিটা-ক্যারোটিনের মতো পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। গরমে নিয়মিত আম খেলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। তবে আমের স্বাদ নিতে হলে তাজা ফল খেতে হবে। খুব বেশি হলে শরবত বা জুস তৈরি করেও পান করতে পারেন।

আমে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং খনিজ রয়েছে। তবে আম খাওয়ার পরপরই নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়, তাহলে মারাত্মক বিপদ হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জেনে নিন আমের সঙ্গে বা আম খাওয়ার পর যেসব খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর-

পানি

আম খাওয়ার পর পানি পান করলে ভুগতে পারেন অ্যাসিডিটির সমস্যায়। হতে পারে পেট ব্যথাও। তাই আম খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফলের মধ্যে প্রচুর হাইড্রেটিং শক্তি রয়েছে যা আপনার তৃষ্ণা নিবারণের জন্য যথেষ্ট। তবে যদি আপনি ফল খাওয়ার পরেও তৃষ্ণার্ত বোধ করেন তবে কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর পানি খান। বেশিরভাগ চিকিৎসক এবং ডায়েটিশিয়ানরা ফল এবং পানির মধ্যে ৪০-৫০ মিনিট ব্যবধানের পরামর্শ দেন। আপনি যদি বেশি তৃষ্ণার্ত বোধ করেন তবে ফল খাওয়ার ৩০ মিনিটের পর এক বা দুটি চুমুক পান করতে পারেন।

কোমল পানীয়

আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোমল পানীয় খেলে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আম আর কোমল পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকায় রক্তে ব্লাড সুগারের পরিমাণ বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ভীষণ বিপদের কারণ হতে পারে।

দই

আমের সঙ্গে ভুলেও দই মিশিয়ে খাবেন না। কারণ দই আর আম এক সঙ্গে শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এতে চামড়ায় অ্যালার্জি হতে পারে। হতে পারে হজমে সমস্যা, এমনকি পাকস্থলীতে বিষক্রিয়াও হতে পারে এর থেকে।

ঝাল ও মশলাযুক্ত খাবার কখনও নয়

আম খাওয়ার সাথে সাথে ঝাল কিংবা মশলাযুক্ত খাবার খেলে হজমে সসম্যা দেখে দিতে পারে। ভুগতে পারেন অ্যালার্জিতেও।

করলা

আম খাওয়ার পর কখনই করলা খাবেন না। খেলে বমিভাব হতে পারে। অনেকের বমিও হতে পারে। হতে পারে শ্বাসকষ্টও।