ছুটির দিনেও লাইব্রেরি খোলা চায় ববি শিক্ষার্থীরা।

 শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুম ছুটির দিনেও খোলা চায় শিক্ষার্থীরা। সুষ্ঠু পরিবেশে পড়ার ধারাবাহিকতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য শুক্রবার ও শনিবার রিডিং রুম খোলা চান তারা।
শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেসে অনেকজন একসাথে থাকায় নানা সমস্যার কারণে পড়াশোনার পরিবেশ থাকে না। অন্যদিকে, হলে এক রুমে ৮ জন থাকার কারণে রুমে পড়াশোনা করার পরিবেশ থাকে না। আবার, হলের রিডিং রুমে জায়গার অপর্যাপ্ততায় শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে পড়তে যান। কিন্তু, শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিনে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি বন্ধ থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা এই দুইদিন সুষ্ঠু পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারেন না। এতে তাদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে না।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ৩ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কার
এ বিষয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান বলেন, পড়াশোনার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশের প্রয়োজন। যা আমরা অন্য কোথাও পাই না লাইব্রেরির রিডিং রুমে পাই। সেক্ষেত্রে, শুক্রবার ও শনিবার রিডিং রুম খোলা রাখলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যেমন আগ্রহ বাড়বে, অন্যদিকে পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে। তাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছুটির দিনে রিডিং রুম খোলার পদক্ষেপ নিলে, তা শিক্ষার্থীদের জন্য হবে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল মাহমুদ বলেন, আমরা হলে বা মেসে থাকি সে ক্ষেত্রে শুক্রবার ও শনিবারের ছুটির দিনে ভালোভাবে পড়াশোনা করার পরিবেশ পাই না। এই দিনগুলোতে আমরা অনেকেই লাইব্রেরির বারান্দায় বসে পড়াশোনা করি। সেক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি ছুটির দিনেও লাইব্রেরির রিডিং রুম খুলে দেয়, তাহলে আমাদের পড়াশোনার জন্য ভালো হয়।
ছুটির দিনে লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়ে লাইব্রেরিয়ান সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব যাতে শিক্ষার্থীদের সুবিধা হয় সেই ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব। লাইব্রেরি চলে দুই শিফটে, ৯টা থেকে ৩টা এবং ৩টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মোট ১২ঘন্টা। শুক্র-শনিবার লাইব্রেরি খোলা রাখতে হলে আমাদের অতিরিক্ত কর্মচারীরও প্রয়োজন হবে তখন। এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে দাবি আসলে আমরা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা নিব।