বিডিআর বিদ্রোহ মামলার দুই আসামির মৃত্যু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কারারক্ষীদের পাহারায় থাকা বিডিআর বিদ্রোহ মামলার আসামি (হাজতি) শমসের আলী (৬২) ও কয়েদি রুহুল আমিন ওরফে মুকুল হোসেন (৫৪) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) দিনগত রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে ডেপুটি জেলার আমিনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, হাজতি শমসের আলীকে শারীরিক অসুস্থতার জন্য কারাগার থেকে সকালে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে নতুন ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার হাজতি নম্বর-১২৩৪৩/২০। তিনি সাবেক বিডিআর সদস্য ছিল। তিনি দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বামনগাও গ্রামেন হাবিবুর রহমানের ছেলে।

এদিকে কয়েদি রুহুল আমিন ওরফে মুকুল হোসেনকে শারীরিক সমস্যার কারণে সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার কয়েদি নম্বর- ৯০৩১/এ। তিনি রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা হজক্যাম্প এলাকার মৃত ওবায়েত উল্যার ছেলে।

আমিনুর রহমান জানান, দুজন বন্দিকে কারাগারের সব নিয়ম-কানুন মেনে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দুজনই মারা যান। আর নিয়ম অনুযায়ী সেখানে বন্দিরা কারারক্ষীদের পাহারায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।