শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালে তার নাম ঘোষণা করা হয়। ‘লাক্স সুপারস্টার ২০২৫’ হয়ে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন। এক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে লাক্স সুন্দরী হওয়ার গল্পটা বলেন তিনি।
কখনো ‘প্রথম’ না হতে পারাটা বর্ণিতার জীবনের একটা বড় আক্ষেপ ছিল। পড়াশোনা বা অন্য কোনো প্রতিযোগিতায় সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও প্রথম হতে পারেননি। সব সময় দ্বিতীয় বা তৃতীয় হয়েছেন। এবারই প্রথমবারের মতো প্রথম হয়ে সেই আক্ষেপ ঘোচালেন। বর্ণিতা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কখনো কোচিং করিনি বা কোনো টিচারের কাছে প্রাইভেট পড়িনি, বাসায় একা পড়তাম। কেন জানি এর প্রভাব আমার মার্কসে পড়ত, হয়তো ডিজার্ভ করতাম ফার্স্ট পজিশন কিন্তু হয়েছি সেকেন্ড (হাসি)।’ শুক্রবারের রাত তার জীবনের সব অপ্রাপ্তি মুছে দিয়েছে।
বিজয়ী হওয়ার পর থেকে বর্ণিতার চোখ থেকে ঘুম উধাও। সকাল থেকে বাসায় আত্মীয়স্বজন আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড়, আর মোবাইলে হাজার হাজার বার্তা। বর্ণিতা জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে বাড়ছে তাঁর অনুসারী। একটি স্টোরিতেই প্রায় ৮০ হাজার ভিউ!
ভবিষ্যতে যাঁরা শোবিজ বা এমন প্রতিযোগিতায় আসতে চান, তাঁদের উদ্দেশে বর্ণিতার পরামর্শ খুব সহজ, ‘শুধু আমাকে দেখে বা অন্য কাউকে দেখে স্বপ্ন দেখতে হবে তা না, নিজেকে দেখে নিজের জন্য স্বপ্নটা দেখতে হবে। নিজের ওপর বিশ্বাসটা দৃঢ়ভাবে রাখতে হবে, সেই চেষ্টার দ্বারাই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’