ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রটির নাম ২০১৮ সালে “শিমন পেরেজ নেগেভ নিউক্লিয়ার রিসার্চ সেন্টার” রাখা হয়। কেন্দ্রটি ১৯৬২ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হয় বলে ধারণা করা হয়। উইকিপিডিয়া সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রস্তুত করা ৮০ থেকে ৪০০টি পারমাণবিক বোমা অজ্ঞাত স্থানে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে এই কেন্দ্রে বেসামরিক কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না।
মুজতবা খামেনির সামনে এই প্রদর্শনের মাধ্যমে ইরানের গোয়েন্দা নজরদারি এবং লক্ষ্য নির্ধারণের সক্ষমতা সামনে এসেছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের যে কোনো সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মুজতবা খামেনি ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে শিগগিরই হামলার অনুমোদন দিতে পারেন।
ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্র একটি অত্যন্ত গোপনীয় স্থাপনা। এই স্থাপনার ম্যাপ ইরানের হাতে এসেছে—এমন খবর ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করছে। ফলে ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো এখন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।