হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরা এর জন্যও এটি বিশেষ একটি ম্যাচ। কারণ এ ম্যাচের মাধ্যমে তার বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বিদায় নিশ্চিত নয়, তবুও তার মনোযোগ এখন পুরোপুরি সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে।
বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং তার দল একমাত্র জয় নিয়ে মাঠে নামবে। পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয়ে বাছাই পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঘরের মাঠে জুলাইয়ে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে বাংলাদেশকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ‘দ্য লায়ন্স’।
কোচ কাবরেরা সেরা একাদশ নিয়ে চিন্তিত, বিশেষ করে ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও উইঙ্গার রাকিব কার্ড জটিলতার কারণে এ ম্যাচে নেই। ভিয়েতনামের বিপক্ষে তাদের অনুপস্থিতি দলের পারফরম্যান্সে বড় প্রভাব ফেলেছিল।
ম্যাচের উৎসাহে প্রবাসী বাংলাদেশিরা কুয়ালালামপুর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে হাজির থাকবেন। মোট ৫৫ হাজার দর্শকের মধ্যে লাল-সবুজ সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ৬ হাজার টিকিট।
শেষ ম্যাচে সম্মানজনক ফলাফল এবং জয় দিয়ে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ব্যর্থ অভিযানকে শেষ করা।