পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি ট্রান্সজেন্ডার নই। আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং একজন সংস্কৃতিকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। কিছু কন্টেন্টের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখিত। ইতোমধ্যে সেসব কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলেছি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকব।’
এদিকে, রেদোয়ানের পরিবারও বিষয়টিকে গুজব বলে দাবি করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকটক ভিডিও তৈরি করতেন এবং সেগুলো ফেসবুকে প্রকাশ করতেন। তবে এসব কার্যক্রমে পরিবারের সমর্থন ছিল না। সম্প্রতি এসব ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে তিনি নিজেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জানানো হয়।
পরিবারের দাবি, ছেলে থেকে মেয়েতে রূপান্তরের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা সঠিক নয়। বর্তমানে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রেদোয়ান বাড়ির বাইরে রয়েছেন।
এ বিষয়ে সমীর চক্রবর্তী বলেন, কমিটি গঠনের আগে সবার জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং সেখানে রেদোয়ান নিজেকে পুরুষ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কমিটি ঘোষণার পর জানা যায়, রেদোয়ান অস্ত্রোপচার করে পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন, যা আমাদের সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। তথ্য গোপন করার অভিযোগে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’