অনেকেরই বারবার মুখ ও জিভ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা হয়। যতই পানি পান করা হোক, তবুও স্বস্তি মেলে না। অনেক সময় জিভের সঙ্গে গলাও শুকিয়ে যায়, কণ্ঠস্বর বদলে যেতে পারে এবং মুখে দুর্গন্ধও হতে পারে। সাধারণত এটি খুব গুরুতর সমস্যা নয়, তবে কখনো কখনো এটি কোনো জটিল রোগের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ড্রাই মাউথ বা জেরোস্টোমিয়া। মুখের লালাগ্রন্থি পর্যাপ্ত লালা তৈরি করতে না পারলে এই সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে সকালে ঘুম থেকে উঠেই গলা ও জিভ শুকিয়ে থাকে। চলুন, জেনে নিই এর কিছু সাধারণ কারণ।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ড্রাই মাউথ বা জেরোস্টোমিয়া। মুখের লালাগ্রন্থি পর্যাপ্ত লালা তৈরি করতে না পারলে এই সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে সকালে ঘুম থেকে উঠেই গলা ও জিভ শুকিয়ে থাকে। চলুন, জেনে নিই এর কিছু সাধারণ কারণ।
কিছু ওষুধের প্রভাব
কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ খেলে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে অবসাদ, উদ্বেগ, ব্যথা কমানো বা পেশি শিথিল করার ওষুধের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। নতুন কোনো ওষুধ খাওয়ার পর যদি এমন লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
অনেকেই ঘুমের সময় নাকের বদলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন।
এতে গলা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই যদি এমন অভ্যাস থাকে, সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের চেষ্টা করুন।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস থাকলেও মুখ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের কিছু ওষুধ থেকেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ধূমপান ও অ্যালকোহল
ধূমপান শুধু ফুসফুসের ক্ষতি করে না, এটি মুখে লালা তৈরি হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়। ফলে মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়। আবার অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি হয়, যা এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
শরীরে পানির ঘাটতি
অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করেন। এতে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।
সূত্র : আনন্দবাজার