জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। এভাবেই দেশ এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে শুরু হলো ক্রীড়া কার্ড প্রদান।’

গতকাল সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে প্রেস বাটন চাপ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ক্রীড়াবিদদের মোবাইল ফোনে এক লাখ টাকা জমা হওয়ার বার্তা পৌঁছে যায়। এ সময় ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশপ্রেম, ঐকান্তিক ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে আপনাদের সাফল্যজনক অগ্রযাত্রায় কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।

বর্তমান সময়ে ক্রীড়া শুধু শখ, বিনোদন কিংবা শরীরচর্চার বিষয় নয়, বরং সারা বিশ্বে ক্রীড়া এখন পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। শারীরিক প্রতিবন্ধী যাঁরা ক্রীড়াঙ্গনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম, তাঁরাও ক্রীড়া কার্ড পাবেন।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি যাঁরা খেলাধুলায় অংশ নিতে চান, তাঁদের জন্যও দেশে-বিদেশে সব ধরনের সুবিধা প্রদান করতে সার্বিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরো উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শাপলা হলের বাইরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ

গতকাল দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁর কার্যালয়ে স্বাগত জানান। আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁর সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই শিষ্টাচার দেখে উপস্থিত সবাই প্রশংসা করেন।

এর আগে দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের জানাজায় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে যান প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা।