আফগানস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শেষ ওভারে করিম জানাতের হ্যাটট্টিকের পরও ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পায় টাইগাররা। এবার দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ জিতে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টানা তৃতীয় সিরিজ জিততে চায় সাকিব আল হাসানের দল।
রবিবার (১৬ জুলাই) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দিবারাত্রির এই ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। এই ম্যাচটি গাজী টেলিভিশন ও টি স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে।
টি-টোয়েন্টিতে ২০০৬ সালে অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের। এরপর নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে শুধুমাত্র একবার হ্যাটট্টিক সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। ২০২১ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল লাল সবুজের দল। এবছর টি-টোয়েন্টিতে ঘরের মাঠে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তারপর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় টাইগাররা। এবার আফগানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিততে চায় সাকিব আল হাসানের দল।
প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়-হারের ব্যবধান কমিয়েছে বাংলাদেশ। পরিচিত প্রতিন্দ্বন্দিদের বিপক্ষে ১০ ম্যাচ খেলে চতুর্থ জয়ের স্বাদ নিয়েছে টাইগাররা। তবে এখনও ছয় জয় নিয়ে এগিয়ে আছে আফগানরা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- এই ফরম্যাটে শক্তিশালী দল হয়ে উঠার দক্ষতা দেখিয়েছে টাইগাররা। সিলেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে কোনো অনুশীলন করেনি বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টাইগাররা উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখবে বলেই ধারনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে সিরিজে সমতায় ফিরতে ঐচ্ছিক অনুশীলন করেছে আফগানিস্তান দল। আগের ম্যাচ থেকে এক বা দু’টি পরিবর্তন আনতে পারে সফরকারী দল।
বাংলাদেশের স্কোয়াড : সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, রনি তালুকদার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, শামিম হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, শরিফুল ইসলাম, রিসাদ হোসেন ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।
আফগানিস্তানের স্কোয়াড : রশিদ খান (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ, মোহাম্মদ শাহজাদ, হজরতুল্লাহ জাজাই, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ আটাল, নাজিবুল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, করিম জানাত, আজমাতুল্লাহ ওমরজাই, মুজিব উর রহমান, ফজল হক ফারুকি, ফরিদ আহমেদ, নবীন-উল হক, নূর আহমদ ও ওয়াফাদার মোমান্দ।