দক্ষিণ তুরস্কের একটি স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনায় অন্তত ৮ শিক্ষার্থী এবং এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। ওই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফচি। খবর বিবিসির।
কাহরামানমারাস এলাকার আইসের চালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে। চিফচি জানান, সেখানে আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ১৪ বছর বয়সী এক হামলাকারীও নিহত হয়েছে। দেশের দক্ষিণের আরেকটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১৬ জন আহত হওয়ার একদিন পরেই এই ঘটনা ঘটলো। ওই শিক্ষার্থী হামলা চালানোর পর আত্মহত্যা করেছিল।
এদিকে বুধবারের হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি এবং এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তুর্কি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে হামলাকারী একজন শিক্ষার্থী। সে দুটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছিল এবং তার কাছে পাঁচটি বন্দুক ও সাতটি ম্যাগাজিন ছিল।
স্থানীয় গভর্নর মুকেরেন উনলুয়ের অভিযোগ করেছেন, অস্ত্রগুলো ওই শিক্ষার্থীর বাবা প্রাক্তন এক পুলিশ কর্মকর্তার। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হামলাকারীর বাবাকে পুলিশ আটক করেছে।
এই হামলার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, আমাদের সন্তান, আমাদের পরিবার এবং আমাদের শিক্ষকদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।