প্রশ্ন: শাওয়াল মাসে ৬টি নফল রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত আছে বলে জানি। আমি শাওয়ালের শুরুতেই কয়েকটি রোজা রেখেছি। বাকি রোজাগুলো কত তারিখের মধ্যে রাখতে হবে?
উত্তর: শাওয়াল মাসের রোজা শাওয়াল মাসের মধ্যে অর্থাৎ শাওয়ালের ২ তারিখ বা ঈদুল ফিতরের পরের দিন থেকে চাঁদ দেখা যাওয়ার হিসেবে ২৯ বা ৩০ তারিখের মধ্যে রাখতে হয়। এ বছর (২০২৬ খৃষ্টাব্দ ১৪৪৭ হিজরি) শাওয়াল মাস শুরু হয়েছে গত ২১ মার্চ, শেষ হবে ১৮ বা ১৯ এপ্রিল। শাওয়ালের রোজার ফজিলত লাভ করার জন্য শাওয়ালের বাকি রোজা ১৮ এপ্রিলের মধ্যেই রাখতে হবে যেহেতু শাওয়াল মাস ২৯ দিনেরও হতে পারে, ১৮ এপ্রিল রাতে জিলকদের চাঁদ দেখা গেলে ১৯ তারিখ থেকে জিলকদ মাস শুরু হয়ে যাবে। তবে যদি শাওয়াল মাস ৩০ দিনের হয়, তাহলে ১৯ এপ্রিলও শাওয়ালের রোজা রাখতে পারবেন।
শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত
শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে এ আমল করেছেন এবং আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন। শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত বর্ণনা করে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যারা রমজানে রোজা পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি রোজা রাখবে; তারা যেন সারা বছরই রোজা পালন করল। (সহিহ মুসলিম)
ইমাম নববি (রহ.) শাওয়ালের ছয় রোজার এ ফজিলতের তাৎপর্যের ব্যাপারে বলেছেন, রমজান মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। রমজানের ৩০টি রোজা ও শাওয়ালের ৬টি রোজা মিলে মোট ৩৬টি রোজা হয়।