পবিত্র কোরআনের এ অংশে আমাদের দৈনন্দিন জীবন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ যে শিক্ষা ও দিক-নির্দেশনা রয়েছে:
১
কোনো গুনাহ বা অপরাধ হয়ে গেলে দ্রুত অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। তওবা করা উচিত। তওবা না করে পাপাচারের পথে চলতে থাকলে হতে পারে তওবা করার আগেই আল্লাহ তাআলার শাস্তি চলে আসবে। তখন আর তওবা করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন, আর তোমরা তোমাদের রবের অভিমুখী হও এবং তোমাদের ওপর আজাব আসার পূর্বেই তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ কর। আজাব আসার পরে তোমাদেরকে আর সাহায্য করা হবে না। (সুরা যুমার: ৫৪)
২
মুমিন হিসেবে আমাদের কর্তব্য এক আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা এবং আল্লাহ তাআলার কৃতজ্ঞ ও অনুগত বান্দা হওয়া। কেউ যদি শিরকে লিপ্ত হয়, তাহলে তার সমস্ত নেক আমল ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই শিরকের ব্যাপারে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
আল্লাহ তাআলা বলেন, আর অবশ্যই তোমার কাছে এবং তোমার পূর্ববর্তীদের কাছে ওহি পাঠানো হয়েছে যে, তুমি শিরক করলে তোমার কর্ম নিষ্ফল হবেই। আর অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। বরং তুমি আল্লাহরই ইবাদত কর এবং কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হও। (সুরা যুমার: ৬৫, ৬৬)
৩
আল্লাহ তাআলা রাজ্জাক। তিনিই সৃষ্টিকুলের রিজিকের মালিক। তাই রিজিকের জন্য শুধু তাঁর কাছেই প্রার্থনা করা আমাদের কর্তব্য। অন্য কাউকে রিজিকের মালিক সাব্যস্ত করে, অন্য কারো কাছে রিজিক প্রার্থনা করে আমরা যেন শিরকের মতো ভয়াবহ পাপে লিপ্ত না হই।