প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

জনগণ যে দেশ দেখতে চায়, সেই দেশ গড়তে সরকার কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশিত দেশ গঠনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তিনি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

একরাশ প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অনুভূতির মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর দেশে ঈদ উদযাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এটি তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ঈদ।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক নেতা ও শিক্ষাবিদসহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষা, সংগ্রাম ও প্রত্যাশার এই ঈদকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আবহ। এটি শুধু উৎসব নয়, বরং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ইতিহাসের এক মেলবন্ধন—যেখানে অর্জন ও অপূর্ণতার অনুভূতি একসঙ্গে ধরা দিয়েছে।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় আগত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে ব্যতিক্রমধর্মী ঈদ উদযাপন করছে জাতি। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

পরে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং দেশের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী সপরিবারে শের-ই বাংলা নগর-এ গিয়ে তার বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।