প্রতারণার অভিযোগে রাজধানী ঢাকার রামপুরা থানায় করা মামলা তদন্ত করে এমন তথ্য পেয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০২০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডির উপপুলিশ পরিদর্শক (ফিন্যানশিয়াল ক্রাইম) রাশেদুর রহমান বাদী হয়ে চক্রের সদস্যদের আসামি করে মানি লন্ডারিং আইনে মামলাটি করেন।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন কায়েস হোসেন, শরিফুল ইসলাম, আরমান হোসেন, বিপ্লব লস্কর, এস এম রবিউল ইসলাম ওরফে মান্না, লতা আক্তার, আয়শা আক্তার, হাবিবুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, আল আমিন ও মিজান লস্কর এবং নাইজেরিয়ার দুই নাগরিক জন জোসেফ ওরফে আসুজু ইম্মা দিলচুয়ু ও ইমেকা ইউরিক। এর মধ্যে কায়েস কারাগারে আটক রয়েছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেসবুক প্রতারণার মাধ্যমে আসামি কায়েস হোসেন ভিন্ন চারটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। আসামি শরিফুল ইসলাম ভিন্ন আটটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। আর আসামি আরমান হোসেন একটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নেন ২১ লাখ টাকা। এভাবে সংঘবদ্ধ আসামিরা পাঁচ কোটি ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। তদন্তে দেখা গেছে, আসামিরা তাঁদের যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম দেখিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খোলেন, সেসব প্রতিষ্ঠানের কোনো হদিস নেই।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে ঈদের আগে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছি। আদালত তা আমলে নিয়েছেন।