এর মধ্যে বেশিরভাগ—৯৫৯টি ছিল প্রণালির পশ্চিমে উপসাগরের ভেতরে। আর পূর্ব পাশে ৬২১টি জাহাজ অপেক্ষা করছিল উপসাগরে ঢুকে গ্যাস, জ্বালানি তেল, রাসায়নিক বা শুকনো পণ্য বোঝাই করার জন্য, কিংবা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য পণ্য নিয়ে।
এএক্সএস মেরিনের তথ্যানুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো এলএনজি বহনকারী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেনি।
সঠিক অবস্থান গোপন রাখতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে প্রণালি দুই পাশেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ অবস্থান করছিল এতদিন। এর কারণ হলো সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা।
যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিনই গড়ে ৫১টি জাহাজ চলাচল করত, তার তুলনায় এটি বড় ধরনের পতন।
গত রাতের যুদ্ধবিরতির আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল চীন, রাশিয়া, ভারত, ইরাক ও পাকিস্তান যে পাঁচটি দেশের মালিকানাধীন জাহাজ প্রণালি পার হতে পারবে। কূটনৈতিক আলোচনার পর মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের জাহাজকেও অনুমতি দেয়া হয়। আর ২ এপ্রিল ফিলিপাইনের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পায়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান