ফিফা র্যাংকিংয়ে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। এরপরও সিঙ্গাপুরের মাটিতে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। বল পজিশন ও আক্রমণে বাংলাদেশ ভালোই শুরু করেছিল। সিঙ্গাপুরের আক্রমণ ভালোই রুখছিল।
তবে ৩১তম মিনিটে সিঙ্গাপুর দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক করে। নিজেদের অর্ধ থেকে বা প্রান্তে লম্বা পাস হয়। বাংলাদেশের ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন সিঙ্গাপুরের ফরোয়ার্ডকে আটকাতে পারেননি। তার নেয়া শট প্রথম প্রচেষ্টায় গোলরক্ষক মিতুল মারমা সাময়িক প্রতিহত করেন। ফিরতি বলে বাংলাদেশের বক্সে কয়েক পাক বল ঘুরলেও ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে পারেননি। বাংলাদেশ গোল হজম করে খেলায় পিছিয়ে পড়ে।
সাত মিনিট পরে বাংলাদেশের গোলের সুযোগ এসেছিল। বক্সের মধ্যে শেখ মোরসালিন অনেকটা ফাকা জায়গায় বল পান। তার নেয়া শট সিঙ্গাপুরের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে গোল লাইনের দিকে যেতে থাকে। ফয়সাল আহমেদ ফাহিম দৌড়ে বলের লাগাল নিতে গেলে পড়ে গেলে পেনাল্টি আবেদন করলেও রেফারি দেননি।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে শুরুটা হয়েছিল বেশ প্রত্যাশা নিয়ে। গত বছরের মার্চে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় লড়াই। বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয় হামজার। ৬ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে একটিতেই। গত বছরের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে আসে সেই জয়। শেষটা সুন্দর করতে চেয়েও পারলেন না কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরার দল। ফলে ৬ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ বাছাই।