সোশ্যাল মিডিয়ায় মনিটাইজেশন-সাবস্ক্রাইব বৃদ্ধির নামে প্রতারণা

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মনিটাইজেশন সুবিধা ও সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধির প্রলোভনে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রতারকরা সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

নিয়মিত তদন্ত ও অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারকরা বিভিন্ন প্রলোভনমূলক প্যাকেজ দেখিয়ে ব্যবহারকারীদের টাকা আদায় করে। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন সুবিধা দ্রুত চালু হবে, বা সাবস্ক্রাইবার ও ভিউ বেড়ে যাবে। তবে টাকা দেওয়ার পর প্রতারকরা সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যান এবং কোনো সেবা প্রদান করেন না।

ভুক্তভোগী তিনি ফেসবুকে মনিটাইজেশন-সাবস্ক্রাইব বৃদ্ধির বিজ্ঞাপন দেখে তাদের অটো ডিজিটাল ফরম পূরণ করেন। প্রথমে ১৮ টাকা তাদের নির্ধারিত ডিজিটাল বিকাশ ফরমে পূরণ করলে তার বিকাশে জমাকৃত ২০০০ টাকা শূন্য ব্যালেন্স করে দেয়। তিনি বলেন এভাবে তারা মানুষের বিকাশ নাম্বার ও পিন নাম্বার হ্যাক করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যাপারটা খুবই আমাকে মর্মাহত করেছে এবং তিনি নিজেই প্রতারিত হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের কাছে সহযোগিতা পাওয়ার ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিটিআরসি ও কনজুমার প্রোটেকশন সংস্থাগুলো অভিযোগ পাওয়ার পরও সাইবার নিরাপত্তার ঘাটতি এবং প্রতারকরা ভিন্ন নাম ও আইডি ব্যবহার করায় সাধারণ মানুষকে প্রতারিত হওয়া থামানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কোনোভাবেই সোশ্যাল মিডিয়া মনিটাইজেশন বা সাবস্ক্রাইব বৃদ্ধির জন্য টাকা দেওয়ার প্রলোভনে আসা ঠিক নয়। ব্যবহারকারীদের উচিত সরকারি অনুমোদিত চ্যানেল ও সরাসরি প্ল্যাটফর্মের নিয়ম অনুযায়ী সেবা গ্রহণ করা।

প্রতারণার অভিযোগ বা ক্ষতির শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় পুলিশ স্টেশন বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।