মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, প্রায় ৬ হাজার সৈন্য নিয়ে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে অবস্থান নিতে পারে। এছাড়া চলতি মাসের শেষের দিকে আরও প্রায় ৪ হাজার ২০০ সৈন্য তাদের সাথে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সেনা মোতায়েনের সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ২২ এপ্রিল ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক এই সময়েই মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পেন্টাগন কেবল সৈন্য মোতায়েনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না বরং ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলা বা স্থল অভিযানের কথাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
তবে এই পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর বা পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এই পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট